পৃথিবী আবার সুস্থ হয়ে উটুক

কামিল আহমদ:: প্রতিনিয়ত আমাদের চারপাশে এমন কিছু ঘটনা ঘটে যা অস্বাভাবিকই বটে। কিন্তু এই পৃথিবীর মধ্য আজ এমন দূর্যোগ এসেছে।যা বলতে গেলে যন্ত্রণা কষ্টে সাধা।আজ পৃথিবী বলতে গেলে স্তব্দ হয়ে থমকে আছে । যেসব জায়গা মানুষের পদচারণায় মুখর থাকে, সেগুলো দেখলে এখন ভূতুড়ে মনে হয়। প্রতিদিনের চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা, স্কুল বন্ধ, ভ্রমণের উপর নিষেধাজ্ঞা, গণ-জমায়েতের উপর বিধিনিষেধ -পৃথিবীতে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আর এই দূর্যোগ বিপর্য নিয়ে পুরো পৃথিবী চিন্তিত। এটাই হলো “করোনা ভাইরাস”। পৃথীবীতে করোনার মতো দুর্যোগ দেখেনি কখনো। অস্ত্রবাজ পৃথিবীতে -দুইটি বিশ্বযুদ্ধের জয় করা অভিজ্ঞতা থাকলেও করোনার মতো দুর্যোগের অভিজ্ঞতা নেই। তবে এ অভিজ্ঞতায় পৃথিবীকে আবারও পড়তে হবে কিংবা করোনার চেয়েও ভয়ঙ্কর দুর্যোগের সঙ্গে লড়তে হবে, যদি তা না পৃথিবী করোনা দুর্যোগের অভিজ্ঞতাকে কাজে না লাগায়। করোনার এই আঘাত পৃথিবীর জন্য বড় একটা বার্তা, এই বার্তাকে পৃথিবী যদি আমলে নেয়, তাহলে ভালোই। আর যদি আমলে না নেয় তা হলে পৃথিবীর সমূহ ধ্বংস হয়ে উঠবে অনিবার্য। একটি রোগে ঠেকানোর ক্ষেত্রে পুরো বিশ্ব যেভাবে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে, সেটি পথপ্রদর্শিনী। কিন্তু এর শেষ কোথায়? মানুষ কবে নাগাদ তাদের স্বাভাবিক দৈনন্দিন জীবনে ফিরতে পারবে? এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য দেশগুলোকে একটি কৌশল খুঁজে বের করতে হবে। বিধিনিষেধগুলো অনুসরণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার উপায় খুঁজতে হবে। একথা ঠিক যে বিধিনিষেধ আরোপের ফলে করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকিয়ে রাখা সম্ভব হয়েছে। এসব বিধিনিষেধ তুলে দিলে সংক্রমণের সংখ্যা অনেক বৃদ্ধি পাবে। “এখান থেকে বেরিয়ে আসার জন্য কৌশল কী হবে এবং সেখান থেকে আমরা কিভাবে বের হয়ে আসবো -এনিয়ে নিয়ে বড় সমস্যা আছে, দেশের বিজ্ঞানীরা,ডাক্তার, প্রধানমন্ত্রী,রাজা-বাতশা,সহ দেশেগুলোর সাধারণ জনগণ। করোনা- প্রতিরোধ করতে মানুষই তো জয়ী হবে। তাই আমাদের দরকার সচেতনতা, আর স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলা। তাই আমারা পারব একটি সুস্থ পৃথিবী ফিরে সক্ষম হব।

লেখক: শিক্ষার্থী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *