ফেঞ্চুগঞ্জে অবৈধভাবে বিক্রি হচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডার, প্রশাসন নিরব!

আসিফ ইকবাল ইরন :: সরকারী নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে ফেঞ্চুগঞ্জে অবৈধভাবে বিক্রি হচ্ছে তরল পেট্রোলিয়াম (এলপি) গ্যাসের সিলিন্ডার। এর ফলে ফলে ঝুঁকির মুখে পড়েছে উপজেলার মানুষের জনজীবন।

সরেজমিনে উপজেলার ফেঞ্চুগঞ্জ,মাইজগাঁও, নয়াবাজার,পালবাড়ি,ইসলামবাজার,চানপুর,দনারাম,কটালপুর,বিয়ালীবাজার সহ বিভিন্ন হাটবাজার ঘুরে দেখা যায়, ওষুধ, পান-সিগারেট, মুদিখানা,কাপড়ের দোকান, এমনকি পাড়া-মহল্লার মুদি দোকানেও অবৈধভাবে মজুদ করে এই ঝুঁকিপূর্ণ সিলিন্ডার অবাধে বেচাকেনা করা হচ্ছে। এসব বেশীরভাগই দোকানে গ্যাস সিলিন্ডার বেচাকেনারও অনুমোদন নেই। নেই আগুন নির্বাপক যন্ত্র। ফলে বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে প্রতিকারেরও কোনো ব্যবস্থা নেই।
লাইসেন্স ছাড়া ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারের শতাধিক দোকানে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি হলেও প্রশাসনকে এখন পর্যন্ত দৃশত কোনো অভিযান পরিচালনা করতে দেখা যায়নি।

জানা যায়, তরল পেট্রোলিয়াম (এলপি) গ্যাসের সিলিন্ডার ব্যবসা করতে হলে সরকারি বিধি মোতাবেক অগ্নিনির্বাপক সক্ষমতা সংক্রান্ত ফায়ার সার্ভিসের লাইসেন্স, অগ্নিনির্বাপক সিলিন্ডার এবং মজবুত ও ঝুঁকিমুক্ত সংরক্ষণাগার থাকতে হবে। ছোট লাইসেন্সধারী কোনো দোকানি ৪০টির বেশি সিলিন্ডার মজুদ রেখে বিক্রি করতে পারে না। কিন্তু এসব নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে ফেঞ্চুগঞ্জে গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবসা দিনদিন বাড়ছে। এর ফলে হুমকীর মুখে পড়ছে ফেঞ্চুগঞ্জের জনজীবন।

অথচ ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৫২ ধারা অনুযায়ী, সেবাগ্রহীতার জীবন বা নিরাপত্তা বিপন্ন হতে পারে এমন কোনো কাজ করলে তিন বছরের কারাদণ্ড বা অনধিক দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার বিধান রয়েছে।

এই বিষয়ে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাখি আহমেদ বলেন, অবৈধ গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যাবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে এবং জরিমানা ও করা হয়েছে। এই অভিযান সামনে ও অব্যাহত থাকবে।

সৌজন্যে : দৈনিক একাত্তরের কথা